Posts

Showing posts from April, 2025

তিনি সর্বভূতে বিরাজমান" ::----

  "তিনি সর্বভূতে বিরাজমান" ::---- এটি হিন্দু ধর্মে একটি গুরুত্বপূর্ণ, অভূতপূর্ব ধারণা, যে ধারনার দ্বারা বুঝতে পারাজায় যে পরম সত্তা বা ঈশ্বর সকল জীব এবং বস্তুর মধ্যে বিদ্যমান, বিরাজমান। এটি ঈশ্বরকে সর্বব্যাপী এবং সকল প্রাণীর সঙ্গে একাত্ম হবার ধারণা বোঝায়।  যেমন শক্তি হিসেবে: "ঈশ্বরকে শক্তিরূপী দেবী দুর্গারূপেও কল্পনা করা হয়, যিনি সর্বভূতে চেতনা, বুদ্ধি, শক্তি, শান্তি, শ্রদ্ধা, দয়া ইত্যাদি রূপে বিরাজমান।" একত্ববাদ: "ঈশ্বরকে এক এবং সর্বব্যাপী সত্তা হিসেবে দেখা হয়, যা সকল জীব এবং বস্তুর মধ্যে বিদ্যমান।"  ব্যবহারিক বেদান্ত: "বেদান্তের আদর্শ অনুযায়ী, এই ধারণার অর্থ হলো জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা এবং জাগতিক জীবনের সঙ্গে ঈশ্বরের একত্বকে অনুভব করা।"  আর এভাবেই বোধে বোধ হলেই অনুভব করা সহজ হয় যে ঈশ্বর সর্ব শক্তি মান। এবং আমিও সেই ঈশ্বরের অংশ বিশেষ। "তৎত্বমসি" " অহম্ ব্রহ্মাস্মি" । "তত্ত্বমসি" কি? ঋষিশ্রেষ্ঠ স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন, “কেন আমাদের মধ্যে দুর্বলতা যায় না? অন্তরে অনন্ত শক্তি জাগ্রত হয় না? কারণ ...

1>স্বামী সার্বপ্রিয়া নন্দ বেলুড় মঠ

  1>স্বামী সার্বপ্রিয়ানন্দ::-বেলুড় মঠ::--           (সংগ্রহ) 1>স্বামী সার্বপ্রিয়ানন্দ গীতা ও উপনিষদের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বারবার বলেন যে, গীতার মূল ভিত্তি উপনিষদ। তাঁর ভাষায়, গীতা আসলে উপনিষদীয় জ্ঞানের সারসংক্ষেপ, যেখানে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে যে শিক্ষা দেন, তা বিভিন্ন উপনিষদের তত্ত্বের উপর দাঁড়িয়ে আছে।  বিশেষ করে, ব্রহ্ম ও আত্মার অভেদ তত্ত্ব,  কর্মের মধ্যে থেকেও আসক্ত না থাকার ধারণা, এবং আত্মসাক্ষাতের জন্য জ্ঞান, ভক্তি ও কর্ম—এই তিন পথের সমন্বয়—সবই গীতার মূল শিক্ষা, যা উপনিষদ থেকেই এসেছে। তিনি বলেন, উপনিষদগুলিকে যদি "বেদান্ত" বা "সর্বোচ্চ জ্ঞান" ধরা হয়, তাহলে গীতাকে বলা যায় সেই জ্ঞানের সহজ ভাষ্যে উপস্থাপনা,  যেখানে একাধারে কর্মের গুরুত্ব, জ্ঞানের গভীরতা, এবং ভক্তির আন্তরিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  তাঁর ব্যাখ্যায় গীতা নিছক ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি এক প্রকার দার্শনিক পথনির্দেশিকা, যেখানে জীবনের গভীর প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। তিনি বলেন, উপনিষদ যদি আত্মজ্ঞান বা ব্রহ্মজ্ঞানের শুদ্ধতম রূপ হয়, তাহলে গীতা হল সেই জ্ঞানের প্রয়োগ, যেখ...