Posts

Showing posts from May, 2025

>বহু পুণ্যস্মৃতিবাহী::--হাওড়ার নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি।

 >বহু পুণ্যস্মৃতিবাহী::--হাওড়ার নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি। অনেক অনেক পুণ্যস্মৃতির সাক্ষী বহন করেচলেছে হাওড়ার নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি যেখানে এখন চলছে প্রয়োজনীয় সংস্কারকার্য। -------- বেলুড় মঠের অনতিদূরেই নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি। শ্রীরামকৃষ্ণের দেহরক্ষার পর শ্রীমা সারদাদেবী ও স্বামীজির বহু বিখ্যাত ঘটনার সাক্ষী এই ভদ্রাসন। এই বাড়িতেই শ্রীমায়ের পঞ্চতপা ব্রত, ভগিনী নিবেদিতার ব্রহ্মচর্য দীক্ষা, স্বামীজির ‘খণ্ডন ভববন্ধন’ সঙ্গীতটি রচনা।--------- মাঝখানে সুরধুনী। দুই তীরে রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের দু’টি ইতিহাস। পূর্ব কূলে কাশীপুর উদ্যানবাটী। পশ্চিম কূলে বেলুড় মঠের অল্প দূরে নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি। একটি বাড়ি শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের শেষ ২৪৮ দিনের আশ্রয়স্থল। আবার অন্যটি রামকৃষ্ণোত্তর কালে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনার ধারক ও বাহক। আজ ‘পুরনো মঠ’ নামে মহাতীর্থ। গঙ্গাতীরস্থ নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়ের বাগানবাড়ি তিন শতক ধরে দাঁড়িয়ে আছে জননী সারদা, ভগিনী নিবেদিতা, স্বামী বিবেকানন্দের পুণ্যস্মৃতি আগলে। এই বাড়িতে বাস করে শ্রীমা আনন্দ পেয়েছেন বলে স্বামীজি বেলুড়ে শ্রীমায়ের জন্য একটি...

|| পুরী সম্প্রদায় ||

  ||  পুরী সম্প্রদায় || "রামকৃষ্ণদেবের গুরু ছিলেন তোতাপুরী। হয় উনি কৌপীন ধারণ করতেন বা নগ্ন হয়েই ঘুরতেন। তাই ঠাকুর উনাকে ন্যাংটা বলে ডাকতেন।The naked one!তো ঠাকুরের সন্ন্যাসদীক্ষা হলে উনিও গুরুর ধারা অনুযায়ী এই পুরী সম্প্রদায়ভুক্ত হন। বিবেকানন্দ ও 🙏🌹"রামকৃষ্ণদেবের গুরু ছিলেন তোতাপুরী। হয় উনি কৌপীন ধারণ করতেন বা নগ্ন হয়েই ঘুরতেন। তাই ঠাকুর উনাকে ন্যাংটা বলে ডাকতেন।The naked one!তো ঠাকুরের সন্ন্যাসদীক্ষা হলে উনিও গুরুর ধারা অনুযায়ী এই পুরী সম্প্রদায়ভুক্ত হন। বিবেকানন্দ ও তাই ছিলেন। সেই lineage অনুসরণ করে আমরা রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীরা পুরী সম্প্রদায়ভুক্ত। তবে বিবেকানন্দ এই পুরী, গিরি, সরস্বতী ইত্যাদি সন্ন্যাসী সম্প্রদায় বিভাগকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতেন না।উনি বলতেন সাধনা করো,  সম্প্রদায় নিয়ে অত ভেবে কি হবে? কিন্তু বাইরে সাধুরা এই সম্প্রদায়ের বিভাগগুলো নিয়ে খুবই সেনসিটিভ। মনে আছে যখন আমি হিমালয়ে সাধনা করছিলাম, এক নাগা সন্ন্যাসীর সাথে আমার দেখা হয়েছিল। উনি আমাকে আমার নাম জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং আমি খুব ক্যাজুয়ালি বলেছিলাম - সর্বপ্রিয়ানন্দ। উনি সাথে সাথে ঝাঁ...

>||-বলোগো ঠাকুর-||

  >||-বলোগো ঠাকুর-|| আনিলে এ কারে সাথে বলোগো ঠাকুর বলোনা আমারে , আনিলে এ কারে সাথে তোমার। ব্রহ্মতেজ দীপ্ত অনল , পুরুষ সিংহ কে এ কুমার। আনিলে কারে সাথে তোমার, বলোগো ঠাকুর বলোনা আমারে , আনিলে এ কারে সাথে তোমার। বীরেশ্বর অমিত বীর্য , সুর সেনাপতি জিনিয়া সূর্য , জ্ঞান গরীয়ান , তাপস প্রধান , প্রেমে ভাসমান ,নয়ন তার। বলোগো ঠাকুর বলোনা আমারে , আনিলে এ কারে সাথে তোমার। ত্যাগে শুকদেব প্রেমেতে নারদ , বুদ্ধের মত হৃদয় যার। জ্ঞানে শিব গুরু শঙ্কর সম , সে কেন লুটায়ে পদে তোমার। হুঙ্কারে যার কাঁপে ত্রিভুবন , সে কেন মাগিছে তোমার শরণ। --(২) তোমারই আশীষ করিয়া ধারণ --(২) সে কি ধরিবে ধরার ভার। বলোগো ঠাকুর বলোনা আমারে , আনিলে এ কারে সাথে তোমার। ব্রহ্মতেজ দীপ্ত অনল , পুরুষ সিংহ কে এ কুমার। আনিলে কারে সাথে তোমার, বলোগো ঠাকুর বলোনা আমারে , আনিলে এ কারে সাথে তোমার। ---------সংগ্রহ ----------

>|| শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত থেকে+ পরনিন্দা ||

>||শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত থেকে    + পরনিন্দা  || শ্রী শ্রীরামকৃষ্ণ প্ৰরমহংসদেব যখন "++ পরনিন্দা প্রসঙ্গে----  মহাপ্রস্থানের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন সেসময় একদিন শ্রীশ্রীমাকে অনুযোগ করে বললেন : ' তুমি কি কিছু করবে না ? ( নিজেকে দেখিয়ে) এই সব করবে?' নারীসুলভ দ্বিধা এবং লজ্জাবশতঃ শ্রীমা উত্তর দিলেন : ' আমি মেয়েমানুষ, আমি কী করতে পারি ? " শ্রীরামকৃষ্ণ তৎক্ষনাৎ ব্যগ্রভাবে বলে উঠলেন : ' না, না, তোমাকে অনেক কিছু করতে হবে ।'  আর একদিন শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবিষ্ট হয়ে সারদাদেবীকে বললেন :  ' দ্যাখো কলকাতার মানুষগুলো যেন অন্ধকারে পোকার মত কিলবিল করছে । তুমি তাদের দেখো।' সারদাদেবী বললেন : ' আমি মেয়েমানুষ । তা কি করে হবে ? ' কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবাবস্থায় নিজেকে দেখিয়ে বলে যেতে লাগলেন : ' এ আর কি করেছে ? তোমাকে এর অনেক বেশী করতে হবে। ' আবার কখনও কখনও এই বলে সজাগ করে দিতেন : ' শুধু কি আমারই দায় ? তোমারও দায় । ' পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীমা বলেছেন : ' যখন ঠাকুর চলে গেলেন , আমারও ইচ্ছা হল আমিও চলে যাই । তিনি ( শ্রীরামকৃষ্ণ) দেখা দিয়ে বললেন:  ' ন...

>|| সৎ চিন্তাধারা::----Ramkrishna saranam.

 >|| সৎ চিন্তাধারা::----Ramkrishna saranam. 1>Ramkrishna saranam. 2>বুদ্ধ সম্পর্কে স্বামীজী। ====================== 1>Ramkrishna saranam.........                 স্বামী বিজ্ঞানানন্দ সমগ্র জগতের জন্য সৎ চিন্তাধারা প্রবাহিত করবে l  সকলকার মঙ্গল হোক এটি রোজ প্রার্থনা করা উচিত l  সকলের মঙ্গল হোক, জগতের মঙ্গল হোক, বিশ্বব্রহ্মাণ্ড এর মঙ্গল হোক , এ শুভেচ্ছা সদা  সর্বদা রেখ l  ◆সৎ জীবন যাপন কর l  ◆পবিত্র জীবন যাপন কর l  ◆স্বার্থহীন জীবন যাপন কর l  এবং  ◆সর্বপোরি সেবকের জীবন যাপন কর l সেবা করবে,কিন্তু প্রতিদানে কোন আশা রেখো না l  নিজ ধর্মে আস্থা স্থাপন,  পর ধর্মে বিদ্বেষহীন আর সত্যে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকলে যে কোন অবস্থাতেই থাক না কেন, মা ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাবেন l  স্বাধীন  সে-ই, যে ইন্দ্রিয়গুলিকে জয় করেছে l  পরাধীন সে, যে ইন্দ্রিয়ের দাস l  মা তো রক্ষা করছেনই, ডাক আর নাই ডাক l তবে ডাকলে আরো আনন্দে বিভোর হবে l       মাকে কায়মনোবাক্যে ডাকতে পারলে ভারী আন...

||বেলুড়মঠের প্রতিষ্ঠার কথা::---

     >||বেলুড়মঠের প্রতিষ্ঠার কথা::--- স্বামীজী ১৮৯৭ সালের ১লা মে, রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠার সংকল্প করেন। ১লা মে স্বামীজী তাঁর ভাষণে বলেন, “আমরা যার নামে সন্ন্যাসী হয়েছি, আপনারা যাকে জীবনের আদর্শ করে সংসারাশ্রমে কার্যক্ষেত্রে রয়েছেন, তাঁর দেহাবসানের বিশ বছরের মধ্যে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য জগতে তাঁর পুণ্য নাম ও অদ্ভুত জীবনের আশ্চর্য প্রসার হয়েছে, এই সংঘ তাঁরই নামে প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা প্রভুর দাস, আপনারা এ কাজে সহায় হোন।” স্বামীজির প্রস্তাব সানন্দে গৃহীত হয়। শ্রীরামকৃষ্ণ ও তাঁর শিক্ষার প্রতি যাদের শ্রদ্ধা ও প্রীতি বর্তমান তাঁদের নিয়ে গঠিত হয় একটি সাধারণ সমিতি ।   পরবর্তী বুধবার, ৫ই মে, অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সভাতে সমিতির নামকরণ হয় ‘রামকৃষ্ণ মিশন’। মিশনের সাধারণ সভাপতির পদ অলঙ্কৃত করেন স্বামী বিবেকানন্দ। স্বামী ব্রহ্মানন্দ ও স্বামী যোগানন্দ যথাক্রমে মিশনের কলকাতার কেন্দ্রের সভাপতি ও সহসভাপতি এবং নরেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদক নিযুক্ত হন। রসমকৃষ্ণ মিশনের যে প্রতীক টি আমরা দেখি সেই প্রতীকটি স্বামী বিবেকানন্দ পরিকল্পিত।  রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতীকের ব্যাখাঃ -- •••চি...

|| অবিশ্বাস্য বিবেকানন্দ || --শংকর

      >|| অবিশ্বাস্য বিবেকানন্দ ||         উত্তর খুঁজেছেন সন্ধানী লেখক শংকর। অবিশ্বাস্য বিবেকানন্দ – শংকর ভালো লাগলো তাই জানালাম সকলকে----- সার্ধশতবর্ষ উৎসবের প্রস্তুতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ময়কর বিবেকানন্দ-জীবনের নানা অজানা তথ্য সংগ্রহের বিপুল প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। তাঁর পারিবারিক-জীবন, পরিব্রাজক-জীবন, সন্ন্যাস-জীবন ও সঙ্ঘ-জীবন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কৌতূহল আজও সীমাহীন। সেই সঙ্গে নবযুগের নবাগতদের মনেও নানা প্রশ্ন। পিতৃদেব বিশ্বনাথ দত্ত কেন অন্য নামে ভিটেবাড়ির শরিকদের নিয়ে উপন্যাস লিখলেন? গর্ভধারিণী জননীকে সাহায্য করার জন্য যে-টাকা মঠের তহবিল থেকে স্বামীজি নিয়েছিলেন তার ওপর সত্যিই কি সুদ দিতে হত তাকে? দেশে-বিদেশে ভক্তের বেশে এসে বেশ কয়েকজন পুরুষ ও নারী কীভাবে বিবেকানন্দকে বিড়ম্বিত করেছিলেন? সমকালের বাঙালিরা কেন তাকে অর্থসাহায্য করেননি? আবার কারা গুরুনির্দেশে অসাধ্যসাধন করার জন্য তিলে তিলে নিজেদের বিসর্জন দিয়েছিলেন? কলকাতার বিখ্যাত ডাক্তার কি সত্যিই সহায়-সম্বলহীন রোগজর্জরিত সন্ন্যাসীর কাছ থেকে চেম্বারে চল্লিশ টাকা নিল...