Posts

Showing posts from January, 2026

|| স্বামীজির পাগড়ি

 ⚜️স্বামীজির পাগড়িকে অমূল্য রত্নের মতো আগলে রেখেছে রামকৃষ্ণপুরের ঘোষপরিবার।* গঙ্গার পশ্চিমপাড়ে আজও অমর এক দিব্যপুরুষের পাগড়ির উপাখ্যান। অমূল্য রত্নের মতো সেই পাগড়ি আজও আগলে রেখেছে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের শিষ্য নবগোপাল ঘোষের পরিবার। আর রাখবেন না-ই বা কেন? কারণ সেই দিব্যপুরুষ যে আর কেউ নন, স্বয়ং স্বামীজি নিজে। ক্ষেত্রীর মহারাজা অজিত সিংয়ের দেওয়া সেই পাগড়ি পরেই স্বামীজি গুরুগম্ভীর কণ্ঠে বক্তৃতা দিয়েছিলেন শিকাগো ধর্ম মহাসভায়। নবগোপালবাবুর স্ত্রী নিস্তারিণী দেবীর অপূর্ব রন্ধনে প্রসন্ন হয়েই ‘সর্বত্যাগী’ বিবেকানন্দ রেখে গিয়েছিলেন সেটি।  এই পাগড়ির সেই অমর উপাখ্যান কেমন? নবগোপাল ঘোষের প্রপৌত্র অধ্যাপক সুব্রত ঘোষের বক্তব্য, রামকৃষ্ণদেবের সাক্ষাৎ মন্ত্রশিষ্য ছিলেন নবগোপালবাবু। স্বামী বিবেকানন্দ আর তিনি তাই গুরুভাই ছিলেন। সারাদিনে একবার গুরুদেবের নাম নিতে হবে, এই ভাবনা থেকেই তিনি বাড়ি করেন রামকৃষ্ণপুরে। যাতে কাউকে বাড়ির ঠিকানা বলতে গেলে আপনা থেকেই মুখে চলে আসে গুরুদেবের নাম। সেইমতো ১৮৮০ সালে ২২ কাঠা জমি কিনে বাড়ি করেছিলেন রামকৃষ্ণদেবের এই মন্ত্রশিষ্য। সেই যুগেই তিনি ২১১ টাকা ৭৫ পয়সার মোটা...

শ্রী শ্রী মা সারদাদেবীর 173তম জন্মতিথি।

 শ্রী শ্রী মা সারদাদেবীর 173তম জন্মতিথি। শ্রী শ্রী মায়ের জন্ম তিথি:-- অগ্রহায়ণ মাসের কৃষ্ণা সপ্তমী তিথি। ইংরাজি পঞ্জিকা::--22ডিসেম্বর 1853 AD  বাংলা পঞ্জিকা:-- ৮ পৌষ ১২৬০ আজ 11 ডিসেম্বর 2025 মায়ের 173 তম জন্ম তিথি। শ্রীশ্রীমা সারদার ১৭৩তম জন্মতিথি। শ্রীশ্রীমায়ের এই প্রত্যেক টি উপদেশ  বহুশ্রুত। এই উপদেশ গুলি সত্যই যদি স্কুল কলেজে  পাঠ্যক্রম হয় তবে নিঃসন্দেহে সেই শিক্ষা   স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।  ================ সাম্প্রতিক কালে বিশ্ব জুড়ে বনিয়াদি শিক্ষার পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের পক্ষে জোরালো দাবি উঠছে। দক্ষতাবৃদ্ধির শিক্ষা কাজের বাজারের উপযুক্ত করে মানবসম্পদের বিকাশ ঘটালেও, জীবনযাপনে সব সময় তার সম্যক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সমাজে অপরাধপ্রবণতা, হিংসা, অসহিষ্ণুতা, সব কিছুরই গতি ঊর্ধ্বমুখী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই কষ্টলব্ধ দক্ষতাও অনেক সময় তার প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে। ফলে হতাশা হয়ে উঠছে অল্পবয়সিদের নিত্যসঙ্গী। দিল্লির একটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্যের সঙ্গে কথা হচ্ছিল, যাঁরা ইউনেস্কো, ইউনিসেফ-এর সঙ্গে হাত মি...

| লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা

     || লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা" ঠাকুর বলেছেন  "লেখনী ধারণ করেছিস আর এইকথার জবাব জানিস না?  লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা" ======================= শ্রী মা সারদা দেবী ও স্বামী বিবেকানন্দ দ্ব্যর্থহীন স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন "কথামৃতে ঠাকুরের কথা ঠিক ঠিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে"। কালকুট = সমরেশ বসুর  চিন্তায় "শ্রীম শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে থেকে যে অন্যমত জ্ঞান অর্জন করেছিলেম তা হল " ধর্মের জাতিভেদ হীনতা, হিমু, মুসলাম, খ্রীষ্টান জগতের কোন ধর্মকেই খাটো করে দেখা চলবে না কারণ সবখানেই সেই  সর্বমঙ্গলময় ঈশ্বরই নানারূপে বিরাজ করছেন"। এভাবে সংসারে বাস করেও বৈরাগ্যসাধনের পদ্ধতি বিজ্ঞানের স্পষ্ট পথচিহ্নায়নে, বিশ্বাস আর উৎসর্গের শক্তিতে সমৃদ্ধি দানে এবং ধর্মের জাতিভেদ হীনতার প্রতিষ্ঠাদানের মধ্য দিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ কালকুটের "আপন মনের মানুষ' হয়ে উঠেছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীম ও আধুনিক জীবন  কাল কুটের চিন্তায় "আধুনিক মানুষ বলে আমাদের মনে একটা গর্ব আছে" এই আধুনিক  মানুষের জীবনের তিনটি ব্যর্থতাকে কালকুট- চিহ্নিত করেছেম, এক :--ধর্মের নামে বিভাজন, দুই- শেশ...

শ্রী শ্রী স্বামী রঙ্গনাথানন্দ মহারাজের কিছু কথা কিছু নির্দেশ::---

   শ্রী শ্রী স্বামী রঙ্গনাথানন্দ মহারাজের কিছু কথা কিছু নির্দেশ::--- 1★>তপস্যা করার জন্য কোথাও যাব এমন ভাবনা আমি কখনও করিনি l আমি একথাই ভাবতে শিখে ছি যে , যেদিন থেকে আমি শ্রী রামকৃষ্ণ-সঙ্ঘের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছি সেদিন থেকে আমার তপস্যা শুরু হয়েছে এবং আমার সমগ্র জীবন ও কর্মই তপস্যাl  2★> গুরুপ্রদত্ত মন্ত্রের মাধ্যমে ঈশ্বরের নাম করবে বারবার l তুমি একা থাকলে তাঁর নাম উচ্চস্বরে করতে পার l সেই শব্দতরঙ্গ দিয়ে তোমার মনকে পরিপূর্ণ করো l ঈশ্বরীয় নামে মহান শক্তি আছে, তবে তা আমাদের অনেক সময়ই অব্যক্ত থাকে l বারংবার মন্ত্র উচচারণের মাধ্যমে মন্ত্রশক্তি মনের অন্তদেশে প্রবেশ করে দুষ্ট চিন্তার অবসান ঘটায় l  3★> কাজ করো ,কাজের সঙ্গে অবসরও উপভোগ করো ,কাজকে কখনও ক্লান্তিকর করে তুলবে না এবং কাজের পরিধির বাইরে মনকে হাল্কা রাখতে চেষ্টা করতে হবেl যদি হৃদয়ে কর্মের জন্য অনুরাগ থাকে তাহলে কাজও আনন্দময় হয়ে ওঠে ও সব কিছুই সুন্দর হয়ে ওঠে l  4★> মানুষ স্বরূপগত ঐশ্বরীক ও আধ্যাত্ম ভাবে ভাবাপন্ন -কিন্ত সেই ভাব সুপ্ত থাকে l আমাদের সেই ঐশ্বরিক ভাবকে বিকশিত করতে হবে নিজের নিজের জীবন ...