| লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা
|| লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা"
ঠাকুর বলেছেন
"লেখনী ধারণ করেছিস আর এইকথার জবাব জানিস না?
লেখা লেখি মানেই তো আত্মচর্চা"
=======================
শ্রী মা সারদা দেবী ও স্বামী বিবেকানন্দ
দ্ব্যর্থহীন স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন "কথামৃতে ঠাকুরের কথা ঠিক ঠিক ভাবে প্রকাশিত হয়েছে"।
কালকুট = সমরেশ বসুর চিন্তায় "শ্রীম শ্রীরামকৃষ্ণের কাছে থেকে যে অন্যমত জ্ঞান অর্জন করেছিলেম তা হল " ধর্মের জাতিভেদ হীনতা, হিমু, মুসলাম, খ্রীষ্টান জগতের কোন ধর্মকেই খাটো করে দেখা চলবে না কারণ সবখানেই সেই সর্বমঙ্গলময় ঈশ্বরই নানারূপে বিরাজ করছেন"।
এভাবে সংসারে বাস করেও বৈরাগ্যসাধনের পদ্ধতি বিজ্ঞানের স্পষ্ট পথচিহ্নায়নে, বিশ্বাস আর উৎসর্গের শক্তিতে সমৃদ্ধি দানে এবং ধর্মের জাতিভেদ হীনতার প্রতিষ্ঠাদানের মধ্য দিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ কালকুটের "আপন মনের মানুষ' হয়ে উঠেছিলেন।
শ্রীরামকৃষ্ণ, শ্রীম ও আধুনিক জীবন কাল কুটের চিন্তায়
"আধুনিক মানুষ বলে আমাদের মনে একটা গর্ব আছে" এই আধুনিক মানুষের জীবনের তিনটি ব্যর্থতাকে কালকুট- চিহ্নিত করেছেম,
এক :--ধর্মের নামে বিভাজন, দুই- শেশাক-আশাক, শিক্ষা. দীক্ষা, আচার- আচরণেই মিজেদেরকে আধুনিক ভাবার অভ্যাস ।
তিন বিশ্বাস হীনতা, সমরেশ বসু তাঁর সাহিত্যে চিহ্নিত করেছেম ধর্মের নামে মানুষে মানুষে বিভাজন, রক্তঝরা জীবনক্ষয়ী- বিদ্বেষে বিষিয়ে ওঠা সময়কে, তার প্রবাদ প্রতিম ছোট গল্প। "আদাব" তারই সাক্ষ্য বহন করছে।
====================
Comments
Post a Comment